এএনবি: পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাটুলীপাড়া এলাকায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল, হামলা ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী রাজিব আহমেদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তাদের বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি রিপন আহমেদ ও আ.লীগ নেতা রুবেল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
অভিযোগে বলা হয়, তাদের ক্রয়কৃত জমি ছাড়াও জেলা পরিষদের লিজকৃত জমি এবং মুক্তিযোদ্ধার জায়গা বলে দাবি করে কিছু জমি থেকে দোকানঘর ভাঙচুরের করা হয়েছে।
তিনি বলেন, গত ২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে রিপন ও রুবেল, নাইম, বক্কার, সাদ্দাম লোকজন তার বড় ভাই মো. আব্দুল মজিদ মালিককে মারধর করে। এ ঘটনায় ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ড করবে না মর্মে মুচলেকা দেয়। এরপর গত ১৮ এপ্রিল সকালে তাদের একটি টিনের ঘর ভেঙে ফেলা হয়। এ ঘটনায় থানায় পুনরায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তবে পরে রাতের আঁধারে মানববন্ধনের নামে জড়ো হয়ে কিছু ব্যক্তি সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় বলেও দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ এপ্রিল সকালে দোকানঘর ভাঙচুরের হুমকি দিলে তারা আবারও পুলিশের শরণাপন্ন হন। পরে সন্ধ্যার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন তিনটি দোকানঘর ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তাদের সামনেই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়। হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
সংবাদ সম্মেলনে রাজিব আহমেদ তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন ।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাকিউল আজম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমি ভাঙচুর ঘটনা শোনার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, পাটুলি পাড়ার ওই বিরোধপূর্ণ জায়গাটি জেলা পরিষদের। তবে দুটি পক্ষ মুখোমুখি হওয়ায় আইনশৃংখলা পরিস্থতির আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে পুলিশ ফোর্সসহ তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে তিনি ফিরে আসেন।






















