নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন প্রজন্মকে পবিত্র কুরআনের আদর্শে গড়ে তুলতে এবং তরুণদের মাঝে শুদ্ধ তিলাওয়াতের চর্চাকে উৎসাহিত করতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘হিফজুল কোরআন ও হুসনে সাউত প্রতিযোগিতা-২০২৬’।
আজ ১ আগস্ট (শনিবার) মগবাজারের শেখ দিলু বেপারী ওয়াকফ এস্টেট জামে মসজিদে আল ওয়াহদা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অত্যন্ত উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে আসা প্রায় ৫০০ জন হাফেজ শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়ে তাদের মেধা ও তিলাওয়াতের সৌন্দর্য প্রদর্শন করেন।
হিফজুল কোরআন ও হুসনে সাউত বিভাগে অংশ নিয়ে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও তিলাওয়াতের সৌন্দর্য প্রদর্শন করেন। দিনব্যাপী প্রাণবন্ত এই আয়োজন অভিভাবক, আলেম-উলামা ও ধর্মপ্রাণ মানুষের ব্যাপক সাড়া জাগায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আল ওয়াহদা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা লুৎফর রহমান, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সাদিকুর রহমান আজহারী, সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুস্তাফিজরহমানী, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মুস্তাফিজুররহমান শাহিন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাদুদ্দিন আল-মাদানী।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ১২ আসনের এমপি সাইফুল আলম খান মিলন, সরকারের ওয়াকফ প্রসাশক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ, নাগরিক উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও জামায়াতে ইসলামীর মেয়র পদপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, আজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজুল হক চৌধুরী প্রমুখ।
শেখ দিলু বেপারী ওয়াকফ এস্টেট জামে মসজিদ কমিটির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অর্থায়নে ছিল সানলাইট প্রাইভেট লিমিটেড ও দোয়া এয়ার ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস।
এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম, হাফেজ, কারী, ইসলামি ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র আল-কুরআন মানবজাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। কুরআনের শিক্ষা, হিফজ এবং শুদ্ধ তিলাওয়াতের চর্চা ব্যক্তি ও সমাজে নৈতিকতা, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ এবং তাকওয়া প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আগামী প্রজন্মকে কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের আয়োজন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।
বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা লুৎফর রহমান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা নয়; বরং এমন একটি কুরআনপ্রেমী প্রজন্ম গড়ে তোলা, যারা নিজেদের জীবনকে আল-কুরআনের আলোকে পরিচালিত করবে এবং সমাজে ইসলামের সৌন্দর্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আল ওয়াহদা ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও কুরআনের খেদমত, দ্বীনি শিক্ষা ও মানবকল্যাণে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ।”
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট, মেডেল, সনদপত্র, নগদ অর্থ ও আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়।






















