বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
একক ক্ষমতাধর হতে চায় বলেই গণভোটের রায় মানছে না সরকার: ড. হেলাল উদ্দিন ছাত্র-জনতা মাঠে নামলে গণভোটের রায় মানতে বাধ্য হবে সরকার: ড. হেলাল উদ্দিন প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছে নাহিদ ইসলাম ইভান নিতাইগঞ্জে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী: ড. হেলাল উদ্দিন থানা ঘেরাও করে যুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে বিএনপিনেতারা ক্যানসারে আক্রান্ত মেয়েকে হারালেন মাওলানা সাদিকুর রহমান আজহারী আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারালো ব্রাজিল বিমা খাতে আস্থা ফেরাতে ডিজিটাল রূপান্তর ও সুশাসনের বিকল্প নেই সরকার সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে অসাধু ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিচ্ছে: ড. হেলাল উদ্দিন

শান্তর রেকর্ডে ঐতিহাসিক জয়

নিজস্ব প্রতিবেদন

১২ মে ২০২৬

শেয়ার

এএনবি: পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ। দেশের মাঠে ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাটে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল।

শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে সবশেষ টানা তিন টেস্টে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার শেষ হওয়া টাকা টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি করে ম্যাচ সেরা হন অধিনায়ক শান্ত। 

অধিনায়ক হিসেবে সবশেষ ১৭ টেস্টের মধ্যে ৭টিতে জয়ের রেকর্ড গড়েন শান্ত। এই রেকর্ড গড়ার পথে শান্ত ছাড়িয়ে যান সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে। সবচেয়ে কম ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ সাতটি টেস্ট ম্যাচ জেতান শান্ত।

মিরপুর টেস্ট শেষ হওয়ার আগে অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি সফল ছিলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে মোট সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন তিনি। এবার পাকিস্তানকে হারিয়ে অধিনায়ক হিসেবে শান্তও জিতলেন সপ্তম টেস্ট।

তবে মুশফিকের চেয়ে অর্ধেক ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েই এই সাতটি ম্যাচ জিতিয়েছেন শান্ত। মুশফিক বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোট ৩৪টি ম্যাচে। যেখানে সাতটি জয় ও নয়টি ড্রয়ের বিপরীতে আছে ১৮টি হার।

এদিকে শান্ত বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোটে ১৭টি ম্যাচে। এর মধ্যে জিতেছেন সাতটি, ড্র হয়েছে একটি। বাকি নয়টি ম্যাচ তার নেতৃত্ব হেরেছে বাংলাদেশ।

মুশফিক-শান্তর পর টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি সফল সাকিব আল হাসান। ১৯ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে সাকিব জিতেছে চারটি ম্যাচ। এছাড়া অধিনায়ক হিসেবে তিনটি ম্যাচ জিতেছেন মুমিনুল হক। একটি করে জয়ের দেখা পেয়েছেন হাবিবুল বাশার সুমন, মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

জয়ের শতকরা হিসাব করলে সবার উপরে অবস্থান মাশরাফি ও লিটনের। কেননা মাত্র একটি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে একটিতেই জয় পেয়েছেন তারা। তাই তাদের সফলতার হারও শতভাগ। এই তালিকায় দুই নম্বরে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার জয়ের হার ৪১.১৭ শতাংশ। এদিকে অধিনায়কত্ব করলেও জয়ের দেখা পাননি নাইমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ, খালেদ মাহমুদ, মোহাম্মদ আশরাফুল ও তামিম ইকবাল।

সর্বশেষ

সব খবর